ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্তির সুবিধা — পুঁজিতে প্রবেশাধিকার, পরিচিতি, তারল্য ও সুদৃঢ় সুশাসন।
ডিএসই দেশের শীর্ষ স্টক এক্সচেঞ্জ।
ডিএসই কোম্পানিগুলোকে একটি স্বীকৃত তালিকাভুক্তি ও পুঁজি সংগ্রহের ভেন্যু প্রদান করে।
ডিএসই দেশে প্রাপ্ত গভীরতম বাজার তারল্য প্রদান করে।
৫০০-এর বেশি তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ নিয়ে আপনি আপনার সম্ভাবনা উন্মোচন করতে পারেন।
জনস্বার্থ ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সুশৃঙ্খল ও ন্যায্য বাজার নিশ্চিত করতে এবং ঝুঁকি বিচক্ষণভাবে ব্যবস্থাপনা করতে ডিএসই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সব ধরনের ও আকারের কোম্পানির শেয়ার তালিকাভুক্তির জন্য ডিএসই একটি স্বচ্ছ ও সুনিয়ন্ত্রিত বাজার দিতে সক্ষম।
আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন একটি বাজারে বিনিয়োগ করছেন — এই আস্থা নিয়ে বিনিয়োগকারীরা এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত দেশি ও বিদেশি কোম্পানির প্রবৃদ্ধিতে অংশ নিতে পারেন।
ডিএসই নাসডাক ওএমএক্স ও ফ্লেক্সট্রেড-এর ডিজাইন ও ডেভেলপ করা একটি দক্ষ ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম প্রদান করে।
তালিকাভুক্তির জন্য সহজ ও স্পষ্ট শর্তাবলি।
সাশ্রয়ী তালিকাভুক্তির গন্তব্য।
দ্রুত বাজারে আসার সুযোগ।
সুদৃঢ় নিয়ন্ত্রক কাঠামোর অধীনে শক্তিশালী বিনিয়োগকারী সুরক্ষা ব্যবস্থা।
স্বচ্ছ ও সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় বাজার।
তালিকাভুক্তির পদ্ধতিসমূহ
ডিএসইতে তালিকাভুক্ত হওয়ার দুটি সম্ভাব্য উপায় রয়েছে:
প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও)-এর মাধ্যমে তালিকাভুক্তি — ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতি (ইস্যুয়ারের যোগ্যতা অনুযায়ী শেয়ার অভিহিত মূল্যে, প্রিমিয়ামে বা ডিসকাউন্টে অফার করা যায়) অথবা বুক-বিল্ডিং পদ্ধতি (কাট-অফ মূল্যে শেয়ার অফার)।
ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের মাধ্যমে শেয়ার অফলোডিং — শুধুমাত্র সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানির জন্য প্রযোজ্য।